"আদিবাসি" শব্দটা কতটুকু যৌক্তিক?
Rafiqus Samad Choudhury
সন্ত্রাসী চাকমাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হল তারা অসভ্য, অমানবিক এবং ঊড়ে এসে জুড়ে বসা ভুমি অপদখলকারী। যারা ১৭০০ শতকে তাড়া খেয়ে এদেশে আশ্রয় নিয়েছিল,তখণকার আরাকানের রাজা নিজে চট্টগ্রামের মুঘল গভর্নরকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছিল সেই সব চাকমাদের বের করে দেবার জন্য, গভর্নর সেই অনুরোধ না রেখেই তাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন । কার্পাস তুলা চাষের বিনিময়ে সেই আশ্রয় দান, মুলত চাকমা সরদারের সাথে সমঝতা হ্য় তুলা চাষীদের প্রধান হিসাবে। তারা ছিল প্রান্তিক বর্গা চাষির মত , ভুমির তাদের কোন অধিকার ( মালিকানা) দেয়া হয় নি । অর্থাৎ তারা প্রজা ছিল না, ছিল আশ্রিত হিসাবে।
ব্রিটিশ আমলেও চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলকে তিনটি সার্কেলে ভাগ করা হয় এবং সারকেল চীফ নামে তিন জন খাজনা আদায় কারী নিযুক্ত করা হয়। তখন তাদের ভুমির উপর অধিকার (মালিকানা) দেয়া হ্য় নি। ভুমি মালিক ছিল জেলা প্রশাসক অর্থাৎ সরকার । সার্কেল চীফদেরকে কেউ কোন দিন রাজা হিসাবে উপাধী দেয় নি । তারা নিজেরাই নিজেদের নামের সাথে রাজা শব্দটি জুড়ে দেয় । কক্ষনই রাজা নন, মুলত মাথা পিছু খাজনা আদায়ের ঠিকাদার । এ ছাড়া কিছুই নন তারা । তাদের রাজা শব্দের ব্যবহার অনেকটাই " কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন " অথবা " ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার " ।
আজ সেই আশ্রিত উপজাতি সমূহ ভুমির অধিকার দাবী করে মুলত পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমিগত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে বিলুপ্ত করতে চাচ্ছে ।
এ ধরনের দাবী অন্যায্য ও অন্যায়। আর ভারতীয় এবং এদেশীয় সরকারী মদদে নির্বিচারে বাঙালি নিধন, নির্যাতন তো আছেই!
লেখকঃ রুকন আল তুরুকখলা
Rafiqus Samad Choudhury
সন্ত্রাসী চাকমাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হল তারা অসভ্য, অমানবিক এবং ঊড়ে এসে জুড়ে বসা ভুমি অপদখলকারী। যারা ১৭০০ শতকে তাড়া খেয়ে এদেশে আশ্রয় নিয়েছিল,তখণকার আরাকানের রাজা নিজে চট্টগ্রামের মুঘল গভর্নরকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছিল সেই সব চাকমাদের বের করে দেবার জন্য, গভর্নর সেই অনুরোধ না রেখেই তাদের আশ্রয় দিয়েছিলেন । কার্পাস তুলা চাষের বিনিময়ে সেই আশ্রয় দান, মুলত চাকমা সরদারের সাথে সমঝতা হ্য় তুলা চাষীদের প্রধান হিসাবে। তারা ছিল প্রান্তিক বর্গা চাষির মত , ভুমির তাদের কোন অধিকার ( মালিকানা) দেয়া হয় নি । অর্থাৎ তারা প্রজা ছিল না, ছিল আশ্রিত হিসাবে।
ব্রিটিশ আমলেও চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলকে তিনটি সার্কেলে ভাগ করা হয় এবং সারকেল চীফ নামে তিন জন খাজনা আদায় কারী নিযুক্ত করা হয়। তখন তাদের ভুমির উপর অধিকার (মালিকানা) দেয়া হ্য় নি। ভুমি মালিক ছিল জেলা প্রশাসক অর্থাৎ সরকার । সার্কেল চীফদেরকে কেউ কোন দিন রাজা হিসাবে উপাধী দেয় নি । তারা নিজেরাই নিজেদের নামের সাথে রাজা শব্দটি জুড়ে দেয় । কক্ষনই রাজা নন, মুলত মাথা পিছু খাজনা আদায়ের ঠিকাদার । এ ছাড়া কিছুই নন তারা । তাদের রাজা শব্দের ব্যবহার অনেকটাই " কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন " অথবা " ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার " ।
আজ সেই আশ্রিত উপজাতি সমূহ ভুমির অধিকার দাবী করে মুলত পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমিগত স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যকে বিলুপ্ত করতে চাচ্ছে ।
এ ধরনের দাবী অন্যায্য ও অন্যায়। আর ভারতীয় এবং এদেশীয় সরকারী মদদে নির্বিচারে বাঙালি নিধন, নির্যাতন তো আছেই!
লেখকঃ রুকন আল তুরুকখলা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন